About Us

প্রতিষ্ঠাতার বাণী

বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহিম,

জাগবে স্বপ্ন, বাচঁবে মানবতা এই স্লোগানকে সামনে রেখে আমরা স্বপ্ন রক্তদান সমাজকল্যাণ
ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ এর সদস্য দের নিয়ে দেশব্যাপী গরীব-দুঃখী, অসহায় মানুষের কল্যানে
কাজ করে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে স্বপ্ন সেবা পৌছে গেছে প্রায় ৮০% মানুষের কাছে। ইনশাআল্লাহ
খুব শীঘ্রই শতভাগ (১০০%) স্বপ্ন সেবা পৌছে যাবে মানুষের দৌড়গোড়ায়।
আজ অবধি মানুষের কল্যাণে যত কাজ করে আসছে সকল কৃতিত্ব পরম করুনাময় আল্লাহ
তায়ালার।
এই স্বপ্ন সেবা মানুষের কাছে পৌছে দিতে আমাকে ও আমাদের স্বপ্ন পরিবারের সদস্যদের অনেক
সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর অশেষ রহমতে এ পর্যন্ত কোন কাজে
আটকে থাকি নি।
আমাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সকল সমস্যা-ই মোকাবেলা করতে পেরেছি। ইনশাল্লাহ
যতদিন আমার এই দেহে প্রাণ আছে আমার স্বপ্ন পরিবারকে সাথে নিয়ে সমাজের গরীব-দুঃখী,
অসহায় মানুষের কল্যানে কাজ করে যাবো (আমি অঙ্গিকারবদ্ধ)।

আরাফাত হোসেন রাহেল

প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি

স্বপ্ন রক্তদান ও সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশন    বাংলাদেশ

 গঠনতন্ত্র :

১।। ক) সর্ব শক্তিমান মহান আল্লাহ তালার প্রতিপালকের নামে।
খ) বাংলাদেশের সংবিধান, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের নীতিমালা এবং সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে সংগঠনটি পরিচালিত হবে, যা সংগঠনের মূলনীতি হিসেবে লিখিত বা অলিখিতভাবে গৃহীত হবে।
গ) সংগঠন সম্পূর্ণরুপে অবাণিজ্যিক, অরাজনৈতিক এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা করে পরিচালিত হবে।

২। ক) সংগঠনটি পরীক্ষামূলকভাবে তিনটি কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
খ) উপদেষ্ঠা কাউন্সিল এলাকা/পাড়া/মহল্লা/­­থানা প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রয়াস নেবে।
গ) উপদেষ্টা কাউন্সিল আজীবন সদস্যরূপে বিবেচিত হবে।
৩। ক) কার্যনির্বাহী পরিষদ ১১, ১৩, ১৭ অর্থাৎ বিজোড় সংখ্যা দ্বারা গঠিত হবে।
খ) কার্যনির্বাহী পর্ষদ সদস্যগণ অনধিক ৫ বছরের জন্য মনোনিত হবেন।
গ) সংঘটন অরাজনৈতিক হিসাবে পরিচালিত হবে।

৪। ক) কার্যনির্বাহী সঙ্গে মনে করবে যে, সমস্ত চয়ন শুরু হবে।
খ) উপদেষ্টা কাউন্সিল এর ৫০ ভাগ কার্যনির্বাহী পর্ষদের প্রস্তাবনায় নির্ধারিত হবে।
গ) উপদেষ্টা কাউন্সিল কার্যত কোন কমিটি ভেঙ্গে দেয়া, কোন সদস্য বা কমিটিকে শাস্তি প্রদান করতে পারবেন না।
ঘ) উপদেষ্টা কাউন্সিল প্রস্তাবনা রাখতে পারবেন কিন্তু নির্দেশ প্রদানে অক্ষম হবেন।
ঙ) উপদেষ্টা কাউন্সিল কোন ভাবেই অর্থনৈতিক ব্যয় সংলাপে আসবেন না, তবে তারা মেয়াদান্তে অথবা সময়তর দাবিতে হিসাব বিবরণী
চাইতে পারবেন।
চ) কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্যগণের ২৫ভাগ উপদেষ্টা পরিষদ ৫০ ভাগ সদস্যসভা এবং ২৫ ভাগ কার্যনির্বাহী পরিষদ স্বয়ং নির্বাচিত করবে
তবে এক্ষেত্রে যেকোন পদের সহঃ পদধারী নির্বাচনের বেলা কার্যনির্বাহী পরিষদ ক্ষমতা লাভ করবে। নতুন সদস্যসভা থেকে নির্বাচিত
হবেন।
ছ) কার্যনির্বাহী পর্ষদে একই পরিবারের দুজন বা তার অধিক থাকতে পারবেন না। কার্যনির্বাহী পর্ষদের কোন সদস্য সামাজিকভাবে
গ্রহণযোগ্যতা হারালে তার পদ সরাসরি বিলুপ্ত হবে।
জ) কার্যনির্বাহী সদস্যগণ সকল কাজের জন্য সদস্যসভার কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন।
ঝ) বছরান্তে কার্যনির্বাহী সভা সংগঠনের আয়-ব্যয় বিবরণী প্রকাশ করবে।

৫। ক) সদস্য সভার কোন ব্যক্তি কোন প্রকার লিঙ্গ, ধর্ম, বর্ণ, রাজনৈতিক কিংবা অর্থনৈতিক সামাজিকভাবে বিবেচিত হবেন না।
খ) সদস্য সভা নির্দিষ্ট নূন্যতমহারে চাঁদা প্রদান করবেন।
গ) সদস্য সভা সকল কর্মসূচী বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সহযোগীতা করবেন।
ঘ) সদস্যসভার কোন সদস্যের কোন ব্যক্তিগত সমস্যা সমাধানে সংগঠন জড়াবে না।

৬। সংগঠনের সকল লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে জয়েন্ট একাউন্টের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
৭। হিসাব শাখা বার্ষিক বাজেট ঘোষণা করবে।
৮। সংগঠনের বর্ণবাদ বৈষম্যবাদ, ধর্মীয় ভেদাভেদ, লিঙ্গবৈষম্য এরূপ যেকোন কিছু চর্চা করা যাবে না।

৯। ক) সকল সদস্য সভা সদস্য সংগঠন কর্তৃক বিনামূল্যে প্রচারিত নিবন্ধন ফরম আবেদনের ভিত্তিতে পূরণ পূর্বক সদস্যপদ লাভ করিবেন।
যদি সম্মিলিত ভাবে ফিঃ প্রয়োজন হয় দিতে বাধ্য থাকিবেন।
খ) সদস্যাভাব অথচ সদস্য নন এমন কেউ কার্যনির্বাহী পরিষদে স্থান পাবেন না।
গ) কার্যনির্বাহী পর্ষদের কেউ মৃত্যূবরণ/দায়িত্ব পালনে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি কিংবা বহিস্কৃত হলে সদস্য সভা হতে পদ পূরণ করা হবে।
ঘ) উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য অর্ন্তভুক্তি কার্যনির্বাহী পর্ষদ ব্যবস্থা করবে।

১০। ক) সংগঠনের কোন সদস্য সংঘটন কে বিতর্কিত অবস্থানে নিয়ে যেতে পারবেন না।
খ) সদস্যগণ সংগঠনের আই,ডি কার্ড (পরিচয় পত্র) ব্যবহার করে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকতে পারবেন না।
গ) সংঘটন থেকে বহিষ্কার করা হলে সংঘটন কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বা কোনো প্রকার লেখালেখি করলে সংঘটন আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে, এমতাবস্থায় কোনও প্রকার প্রতিবাদ করা প্রযোজ্য হবেনা।

১১। সংগঠন সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সচেতনতামূলক সামাজিক সেবাসমূহ প্রদানের ব্যবস্থা করবে।
১২। সংগঠন জরুরী প্রয়োজনে যে কোনও মুহুর্তে বৈঠক/সভা করতে পারবে।
১৩। সংগঠন দরিদ্র, বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারী ব্যবস্থাপনায় সামাজিক বনায়ন কিংবা সমন্বিত মৎস্য চাষের মতো ভ্রাতৃত্বমূলক কর্মসূচী সমূহতে সভার মতামতের ভিত্তিতে সম্পৃক্ত হতে পারে।
১৪। সংগঠনের নীতিমালা সুপরিবর্তনীয়, ইহার মর্যাদা যা কমিটির দায়িত্বরতদের উপর ন্যাস্ত থাকবে।
১৫। সংগঠনের কোনও সদস্য যেকোন পর্যায়ের সংঘটন কে বিতর্কিত করলে কার্যকরী সদস্যরা সদস্যপদ বাতিল বা শাস্তি প্রদান করতেপারবে।
১৬। সংগঠন তার সকল পলিসি উন্মুক্ত ও সহজরূপে প্রণয়ন ও প্রকাশ করবে।
১৭। নীতিমালা একটি ধারাবাহিক সংযোজন। এটির বর্ধন ও কর্তন স্বাভাবিক।
১৮। যদি কোন সদস্য সংগঠনের নীতি বহির্ভূত কোন কাজ করে তাহলে সর্বসম্মতিক্রমে তার সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হবে।